‘ওর দায়িত্ব আমার, ওকে ভাল রাখব সবসময়’

গতমাসেই বিয়ে হয়েছে টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহানের। ১৯ জুন পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাটের এই সংসদ সদস্য বিয়ে করেন নিখিল জৈনকে। তুরস্কের বন্দর শহর বোদরুমের ‘সিক্স সেন্সেস কাপলাংকায়া’ হোটেলে তাদের বিয়ের জমকালো অনুষ্ঠান হয়। বৃহস্পতিবার ছিল তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা। কলকাতার একটি পাঁচতারকা হোটেলে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

হেভিওয়েট এই রিসেপশনে বিভিন্ন অঙ্গনের তারকাদের মেলা বসেছিল। টালিউড ও রাজনৈতিক অঙ্গনের অনেকেই এসেছিলেন এই অনুষ্ঠানে। এসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তার সঙ্গে ছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

টালিউড থেকে এসেছিলেন রাইমা সেন ও সস্ত্রীক আবির চট্টোপাধ্যায়। টালিউডের প্রায় সব অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং ক্যামেরার পেছনে থাকা কলাকুশলীরাও এ দিন আমন্ত্রিত ছিলেন।

নুসরাতের বিয়েতে আর কেউ না থাকুক, মিমি যে তার সর্বক্ষণের সঙ্গী তা আবারও প্রমাণ পাওয়া গেছে। বেস্ট ফ্রেন্ডের বিয়েতে বেশ উচ্ছ্বসিত দেখা গেছে তাকে।

অনুষ্ঠানে এসে তিনি বলেন, ‘দিদির বিয়েতেও এত সাজিনি। আমি আর নুসরাত চার-পাঁচ বছর আগে যখন নিজেদের বিয়ে নিয়ে কথা বলতাম তখন থেকে প্ল্যান করেছিলাম কেমন সাজব।’

এ দিন নুসরাত পরেছেন বাদামী রঙের লেহেঙ্গা। সঙ্গে মানানসই গয়না। বরাবরই খেতে ভালোবাসেন অভিনেত্রী। তাই খাওয়াদাওয়ার আয়োজনও অনেক। ইতালিয়ান কুইজিনের পাশাপাশি ছিল বাঙালি মেনুও। আমিষ পদের মধ্যে ছিল- ইলিশ, চিংড়ি, ভেটকি। ছিল মাংসের নানা রকম আয়োজন। নুসরতের পছন্দ বসিরহাটের কাঁচাগোল্লাও ছিল অতিথিদের জন্য।

এ দিন সন্ধ্যায় নুসরাতের দিকে তাকিয়ে স্বামী নিখিল বলেন, ‘ওর দায়িত্ব আমার। ওকে ভাল রাখব সবসময়।’

আর নুসরাত বলেন, ‘সারা জীবন একই লোকের সঙ্গে কাটাতে হবে! বুঝতে পারছেন চাপটা? মিডিয়ার সামনে ও যা বলল সবাই মনে রাখবেন কিন্তু। এখানে সবাই কিন্তু আমার লোক, যা বলবে ভেবে বলো।’